বিএনপি ছাড়াও ভিন্নমতাবলম্বীরা আওয়ামী সরকারী স্টীম রোলারের নীচে পিষ্ট হচ্ছে: তারেক রহমান

Published: বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০ ১২:৫৯ অপরাহ্ণ   |   Modified: বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০ ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
 

ডিএল টিভি ডট কম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

গতকাল মঙ্গলবার(১৫ সেপ্টেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তারেক রহমান বলেন, ‘আজ আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস। গণতন্ত্র সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে উৎসাহিত করার জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক ২০০৭ সাল থেকে এ দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলি প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর এই দিবসটি পালন করে।

তিনি বলেন,’গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আমি বিশ্বের গণতন্ত্রকামী মানুষদের প্রতি জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও পুণ:রুদ্ধারের জন্য বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেসমস্ত মানুষ আত্মদান করেছেন ও আহত হয়েছেন তাদের জন্য জানাচ্ছি শোক ও সমবেদনা। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা গত শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ অর্জন। গণতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক মুক্তির মাধ্যমে একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়েই আমরা স্বাধীনতাযুদ্ধ করেছিলাম। সে লক্ষ্য পূরণে আমরা আজও কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় বাংলাদেশে বর্তমানে গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার দীর্ঘ ১২ বছরের শাসনামলে মানুষের বাক-ব্যক্তি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ভূলুন্ঠিত করে দেশে একদলীয় নব্য বাকশাল প্রতিষ্ঠিত করেছে। গণতন্ত্র পুণ:রুদ্ধারের আপোষহীন নেত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ সারাদেশে বিএনপি’র লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারী ভয়াবহ জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। জীবন কেড়ে নেয়া হয়েছে অনেকের। অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। 

বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন,’বিএনপি ছাড়াও ভিন্নমতাবলম্বীরা সরকারী স্টীম রোলারের নীচে পিষ্ট হয়ে আসছেন।গণতন্ত্র হচ্ছে এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে সরকারের গৃহীত নীতি ও কার্যক্রমে প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ থাকে। অর্থাৎ জনগণের ইচ্ছায় দেশ পরিচালিত হয়। গণতন্ত্র মানবজাতির এক সর্বজনিন অনন্য অর্জন। গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র মানবসভ্যতার অগ্রগতির মানদন্ড। গণতন্ত্রের আইন প্রস্তাবনা, প্রণয়ন ও তৈরীর ক্ষেত্রে সব নাগরিকের সমান অংশগ্রহণ রয়েছে। নাগরিকদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা দেশ পরিচালনাই হচ্ছে একটি সরকারের বৈধতার গ্যারান্টি। কিন্তু দেশে দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসনের যাঁতাকলে গণতন্ত্রের বিকশিত হওয়ার পথকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। ক্ষমতাকে চিরস্থায়ীভাবে আঁকড়ে ধরার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রের নিষ্ঠুর বেড়াজাল দিয়ে দেশে দেশে একনায়কতন্ত্র ও একদলীয় শাসনের মাধ্যমে জনগণকে বন্দী করে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশেও এমন একটি বিভিষিকাময় শাসন বিদ্যমান রয়েছে। যার নমূনা দিনের ভোট রাতে হয়, অথবা বিনাভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়।

 
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com