দুর্গাপূজায় অঞ্জলি, নুসরাতকে পুড়িয়ে ফেলার দাবি

Published: মঙ্গলবার, অক্টোবর ৮, ২০১৯ ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ   |   Modified: মঙ্গলবার, অক্টোবর ৮, ২০১৯ ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
 

ডিএল টিভি ডট কম

চলছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গাপূজা। অষ্টমীতে স্বামী নিখিল জৈনের সঙ্গে পূজাতে অংশ নিতে দেখা যায় নুসরাতকে। পুষ্পাঞ্জলি দেন নুসরাত ও নিখিল। এর পরেই নুসরাত কোমরে শাড়ি গুঁজে ও নিখিল পাঞ্জাবির হাতা গুটিয়ে ঢাক বাজানো শুরু করেন। আর নবদম্পতিকে সঙ্গ দেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এই ঘটনা পরই চটেছেন ভারতের মুসলিম ধর্মীয় নেতারা। নিজেদের ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তারা। তারা জানান, মুসলিম হওয়ার কোনো দরকার নেই। নিজের ধর্ম পালটে ফেলাই উচিত তৃণমূল সাংসদ নুসরাত জাহানের।

তাদের দাবি, ভিন ধর্মের উৎসবে অংশ নিলেও, তাতে সক্রিয়ভাবে যোগদানের কোনো প্রয়োজন ছিল কি? তাহলে বাংলার এই অভিনেত্রী তথা সাংসদ নিজের ধর্ম পরিবর্তন করে নিলেই পারেন। উত্তরপ্রদেশের দারুল উলুম দেওবন্দের এক ধর্মীয় নেতা জানান, এভাবে মুসলিম হয়ে আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো ‘ভগবান’কে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা যায় না। তিনি বলেন ইসলাম এই ধরনের কাজকে সমর্থন করে না। আল্লাহ ছাড়া অন্য কারোর উপাসনা করা ইসলামের চোখে হারাম। তার দাবি, কোনো মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ অন্য ধর্মের হয়ে উপাসনা করতে পারেন না। সেটা করতে হলে তাকে ধর্মান্তরিত হতে হবে।

এখানেই শেষ নয়, একাধিক নেটিজেন নুসরতের ঢাক বাজানো ও অঞ্জলি দেওয়ার ভিডিও দেখে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাদের একাংশের মতে, নুসরাতকে পুড়িয়ে ফেলা হোক। বিধর্মীদের মতো আচরণ করার সাহস তিনি পান কি করে? 

এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তার মতে, প্রত্যেক মানুষের নিজের ইচ্ছামত ধর্মাচারণের সুযোগ রয়েছে। সেটা তার অধিকার। কেউ এই বিষয়ে নাক গলাতে পারে না। বাংলায় জন্ম নিয়ে এই শিক্ষা পেয়েই বড় হয়ে ওঠা তার। বাংলার সংস্কৃতি মেনেই তিনি ধর্মাচারণ করেন।